‘মুতা’আখখের’ হাজীগণ যখন ১২ তারিখ দিবাগত বা ১৩ তারিখের রাত মিনায় যাপন করবেন, তখন পরের দিন তাদেরকে তিন জামরাতেই কঙ্কর নিক্ষেপ করতে হবে।
সে রাত্রি তাদেরকে আল্লাহ্র যিকরে কাটাতে হবে। কারণ এটিই মিনায় অবস্থানের মূল উদ্দেশ্য।
১৩ তারিখ হাজীদের প্রধান কাজ হচ্ছে, সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে যাওয়ার পর জামরাতে পাথর নিক্ষেপ করা। তাদেরকে নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে পাথর মারার কাজটি সম্পন্ন করতে হবে :
১২ তারিখের ন্যায় প্রথমে মসজিদুল খাইফ-এর নিকটস্থ ছোট জামরায় পাথর মারতে হবে। পূর্ব বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী ‘আল্লাহু আকবার’ বলে একে একে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে হবে। কঙ্কর নিক্ষেপ শেষ করে একটু সরে এসে কিবলামুখী হয়ে দো‘আ করতে হবে।
তারপর মধ্য জামরায় পাথর মারতে হবে। পূর্ববর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী ‘আল্লাহু আকবার’ বলে একে একে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে হবে। কঙ্কর নিক্ষেপ শেষ করে একটু সরে এসে কিবলামুখী হয়ে দো‘আ করতে হবে।
তারপর বড় জামরা তথা জামরাতুল-আকাবায় পাথর মারতে হবে। পূর্ববর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী ‘আল্লাহু আকবার’ বলে একে একে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে হবে। কঙ্কর নিক্ষেপ শেষ করে এ স্থান ত্যাগ করতে হবে। এখানে কোন দো‘আ নেই।
এ কাজের মধ্য দিয়েই মুতাআখখের হাজী সাহেবগণ হজের কার্যাদি সমাপ্ত করবেন। বাকি থাকল বিদায়ী তাওয়াফ। তাও সেসব হাজী সাহেবের জন্য যারা মক্কার অধিবাসী নন। এর বিস্তারিত আলোচনা সামনে আসছে।