ঐতিহাসিক স্থান
মুযদালিফা ও মাশআরুল হারাম
মক্কা
আরাফাত ও মিনার মাঝখানে অবস্থিত খোলা এলাকা, যা হারামের সীমানার ভেতরে পড়ে। ৯ যিলহজ সূর্যাস্তের পর হাজীরা আরাফাত থেকে এখানে এসে মাগরিব ও ইশা একসাথে আদায় করেন এবং খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন করেন। এখান থেকেই জামারাতে নিক্ষেপের জন্য কঙ্কর সংগ্রহ করার প্রচলন রয়েছে। ফজরের পর সূর্যোদয়ের আগে হাজীরা মিনার উদ্দেশে রওনা হন। এলাকার একটি পাহাড়ের নাম মাশআরুল হারাম, যেখানে রাসূলুল্লাহ ﷺ বিদায় হজে অবস্থান করে দুআ করেছিলেন; কুরআনের সূরা বাকারায় এই স্থানের উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে এখানে হাজীদের জন্য শৌচাগার, আলো ও চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে, তবে তাঁবু নেই।
মক্কা শহরের আরও স্থান

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জন্মস্থান (ঐতিহ্যনির্ভর)
মসজিদুল হারামের কাছে শি'বে বনু হাশিম এলাকায় অবস্থিত স্থান, যেখানে ঐতিহ্যগতভাবে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জন্ম হয়েছিল বলে মনে করা হয়। এখন সেখানে একটি গ্রন্থাগার।
আরাফাত ও মসজিদে নামিরা
মক্কার পূর্বে বিস্তীর্ণ প্রান্তর, যেখানে ৯ যিলহজ হাজীরা অবস্থান করেন। এই ওকুফই হজের মূল রুকন। প্রান্তরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত মসজিদে নামিরা।
হুদাইবিয়া
মক্কার পশ্চিমে হারামের সীমানার কাছে অবস্থিত এলাকা, যেখানে ষষ্ঠ হিজরিতে কুরাইশদের সাথে হুদাইবিয়ার সন্ধি ও বায়'আতে রিদওয়ান সংঘটিত হয়।
মসজিদুল খায়িফ
মিনার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন মসজিদ, জামরাতুস সুগরার কাছে অবস্থিত। বিদায় হজে রাসূলুল্লাহ ﷺ এখানে নামাজ আদায় করেছিলেন।
সাফা ও মারওয়া
মসজিদুল হারামের ভেতরে অবস্থিত দুটি ছোট পাহাড়, যার মাঝে সাতবার আসা-যাওয়া করাকে সাঈ বলা হয় — এটি হজ ও উমরাহর একটি রুকন।
জামারাত
মিনার ভেতরে অবস্থিত তিনটি স্তম্ভ, যেখানে হাজীরা কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। এটি হজের একটি ওয়াজিব আমল, ইবরাহীম (আ.)-এর স্মৃতির সাথে যুক্ত।