ঐতিহাসিক স্থান
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জন্মস্থান (ঐতিহ্যনির্ভর)
মক্কা
মসজিদুল হারামের পূর্ব পাশে সাফা পাহাড়ের কাছাকাছি একটি এলাকা, যা পুরনো নাম অনুযায়ী শি'বে বনু হাশিম নামে পরিচিত ছিল। ঐতিহ্যগতভাবে মনে করা হয়, এখানেই রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জন্ম হয়েছিল; তবে সুনির্দিষ্ট স্থান-নির্ধারণ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে জায়গাটির ব্যবহার বদলেছে। বর্তমানে এখানে রয়েছে মাকতাবা মক্কা আল-মুকাররামা নামের একটি গ্রন্থাগার, যা বাইরে থেকে দেখা যায়। ভবনটি সাধারণত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে না। এই স্থানে যাওয়া হজ বা উমরাহর কোনো আনুষ্ঠানিকতার অংশ নয়।
মক্কা শহরের আরও স্থান

হুদাইবিয়া
মক্কার পশ্চিমে হারামের সীমানার কাছে অবস্থিত এলাকা, যেখানে ষষ্ঠ হিজরিতে কুরাইশদের সাথে হুদাইবিয়ার সন্ধি ও বায়'আতে রিদওয়ান সংঘটিত হয়।
মুযদালিফা ও মাশআরুল হারাম
আরাফাত ও মিনার মাঝে অবস্থিত খোলা এলাকা, যেখানে ৯ যিলহজ রাতে হাজীরা অবস্থান করেন। এখানকার পাহাড়টির নাম মাশআরুল হারাম।
সাফা ও মারওয়া
মসজিদুল হারামের ভেতরে অবস্থিত দুটি ছোট পাহাড়, যার মাঝে সাতবার আসা-যাওয়া করাকে সাঈ বলা হয় — এটি হজ ও উমরাহর একটি রুকন।
আরাফাত ও মসজিদে নামিরা
মক্কার পূর্বে বিস্তীর্ণ প্রান্তর, যেখানে ৯ যিলহজ হাজীরা অবস্থান করেন। এই ওকুফই হজের মূল রুকন। প্রান্তরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত মসজিদে নামিরা।
মসজিদুল খায়িফ
মিনার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন মসজিদ, জামরাতুস সুগরার কাছে অবস্থিত। বিদায় হজে রাসূলুল্লাহ ﷺ এখানে নামাজ আদায় করেছিলেন।
জামারাত
মিনার ভেতরে অবস্থিত তিনটি স্তম্ভ, যেখানে হাজীরা কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। এটি হজের একটি ওয়াজিব আমল, ইবরাহীম (আ.)-এর স্মৃতির সাথে যুক্ত।