ঐতিহাসিক স্থান
জামারাত
মক্কা
মিনার পশ্চিম প্রান্তে পরপর অবস্থিত তিনটি স্তম্ভ — জামরাতুস সুগরা, জামরাতুল উসতা এবং জামরাতুল আকাবা। হজের সময় হাজীরা এখানে কঙ্কর নিক্ষেপ করেন: ১০ যিলহজ কেবল জামরাতুল আকাবায়, এরপর তাশরীকের দিনগুলোতে তিনটিতেই। এই আমলটি ইবরাহীম (আ.)-এর স্মৃতির সাথে যুক্ত এবং হজের একটি ওয়াজিব অংশ। আগে স্তম্ভগুলো ছিল সরু পিলার আকৃতির; ভিড় ও দুর্ঘটনা এড়াতে পরবর্তীতে সেগুলোকে লম্বা দেয়ালে রূপান্তর করা হয়। বর্তমানে জামারাত সেতু পাঁচতলা বিশিষ্ট, প্রতিটি তলা থেকে আলাদাভাবে কঙ্কর নিক্ষেপ করা যায় এবং প্রবেশ-প্রস্থানের পথ একমুখী রাখা হয়েছে। হাজীদের নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী দলবদ্ধভাবে পাঠানো হয়।
মক্কা শহরের আরও স্থান

মসজিদুল খায়িফ
মিনার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন মসজিদ, জামরাতুস সুগরার কাছে অবস্থিত। বিদায় হজে রাসূলুল্লাহ ﷺ এখানে নামাজ আদায় করেছিলেন।
মিনা - তাঁবুর শহর
মক্কা ও মুযদালিফার মাঝে অবস্থিত উপত্যকা, যেখানে হজের দিনগুলোতে হাজীরা অবস্থান করেন। জামারাত, কুরবানি ও তাশরীকের রাতগুলোর কেন্দ্র এই স্থান।
আরাফাত ও মসজিদে নামিরা
মক্কার পূর্বে বিস্তীর্ণ প্রান্তর, যেখানে ৯ যিলহজ হাজীরা অবস্থান করেন। এই ওকুফই হজের মূল রুকন। প্রান্তরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত মসজিদে নামিরা।
জাবালে সাওর ও গারে সাওর
মক্কার দক্ষিণে খাড়া জাবালে সাওরের গায়ে লুকিয়ে থাকা ছোট এক গুহা। হিজরতের সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ ও আবু বকর (রা.) এখানে তিন রাত আশ্রয় নিয়েছিলেন।
মুযদালিফা ও মাশআরুল হারাম
আরাফাত ও মিনার মাঝে অবস্থিত খোলা এলাকা, যেখানে ৯ যিলহজ রাতে হাজীরা অবস্থান করেন। এখানকার পাহাড়টির নাম মাশআরুল হারাম।
জাবালুন নূর ও গারে হেরা
মক্কার উত্তর-পূর্বে খাড়া এক পাহাড়ের চূড়ার কাছে ছোট্ট গুহা গারে হেরা।