ঐতিহাসিক স্থান
মিনা - তাঁবুর শহর
মক্কা
মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার পূর্বে পাহাড়ঘেরা একটি উপত্যকা, যা হারামের সীমানার ভেতরে পড়ে। হজের সময় ৮ যিলহজ থেকে হাজীরা এখানে অবস্থান শুরু করেন, আরাফাত ও মুযদালিফা থেকে ফিরে ১০ যিলহজ আবার মিনায় আসেন এবং তাশরীকের দিনগুলোতে এখানেই রাত যাপন করেন। মিনার ভেতরেই রয়েছে তিনটি জামারাত, কুরবানির স্থান এবং মসজিদুল খায়িফ। বছরের বাকি সময় এলাকাটি প্রায় ফাঁকা থাকে, তবে হজের কয়েক দিনে এটি লক্ষ লক্ষ মানুষের অস্থায়ী তাঁবুনগরীতে পরিণত হয় — এ কারণে একে "তাঁবুর শহর" বলা হয়। বর্তমানে তাঁবুগুলো অগ্নিনিরোধক উপকরণে তৈরি এবং স্থায়ীভাবে সাজানো, সাথে রয়েছে মাশাইর মেট্রো লাইন ও বহুতল জামারাত সেতু।
মক্কা শহরের আরও স্থান

জামারাত
মিনার ভেতরে অবস্থিত তিনটি স্তম্ভ, যেখানে হাজীরা কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। এটি হজের একটি ওয়াজিব আমল, ইবরাহীম (আ.)-এর স্মৃতির সাথে যুক্ত।
জাবালে সাওর ও গারে সাওর
মক্কার দক্ষিণে খাড়া জাবালে সাওরের গায়ে লুকিয়ে থাকা ছোট এক গুহা। হিজরতের সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ ও আবু বকর (রা.) এখানে তিন রাত আশ্রয় নিয়েছিলেন।
মসজিদুল খায়িফ
মিনার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন মসজিদ, জামরাতুস সুগরার কাছে অবস্থিত। বিদায় হজে রাসূলুল্লাহ ﷺ এখানে নামাজ আদায় করেছিলেন।
জাবালুন নূর ও গারে হেরা
মক্কার উত্তর-পূর্বে খাড়া এক পাহাড়ের চূড়ার কাছে ছোট্ট গুহা গারে হেরা।
আরাফাত ও মসজিদে নামিরা
মক্কার পূর্বে বিস্তীর্ণ প্রান্তর, যেখানে ৯ যিলহজ হাজীরা অবস্থান করেন। এই ওকুফই হজের মূল রুকন। প্রান্তরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত মসজিদে নামিরা।
আবু বকর (রা:) মসজিদ
চারতলায় মসজিদ হলেও সুউচ্চ ভবনটিতে হরেক রকমের পণ্য কেনার জন্য শপিং মল