ঐতিহাসিক স্থান
জাবালুন নূর ও গারে হেরা
মক্কা
মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় চার কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত ছয়শ মিটারেরও বেশি উঁচু একটি পাহাড়, যার চূড়ার কাছে রয়েছে ছোট একটি গুহা — গারে হেরা। নবুওয়াত লাভের আগে রাসূলুল্লাহ ﷺ এই গুহায় নির্জনে সময় কাটাতেন। চল্লিশ বছর বয়সে এখানেই ফেরেশতা জিবরীল (আ.) প্রথম ওহী নিয়ে আসেন — ইকরা দিয়ে শুরু হওয়া সূরা আলাকের প্রথম পাঁচটি আয়াত। এরপর তিনি ঘরে ফিরে খাদীজা (রা.)-এর কাছে ঘটনাটি বর্ণনা করেন। গুহাটি সংকীর্ণ, দৈর্ঘ্যে সাড়ে তিন মিটারের মতো; একসাথে অল্প কয়েকজনই ভেতরে জায়গা পান। পাহাড়ের চড়াই খাড়া এবং উপরে উঠতে সাধারণত এক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। বর্তমানে পাহাড়ের পাদদেশে হিরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্ট গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে ওহী-সংক্রান্ত একটি প্রদর্শনী রয়েছে। এই স্থানে যাওয়া হজ বা উমরাহর কোনো আনুষ্ঠানিকতার অংশ নয়।
মক্কা শহরের আরও স্থান

জাবালে সাওর ও গারে সাওর
মক্কার দক্ষিণে খাড়া জাবালে সাওরের গায়ে লুকিয়ে থাকা ছোট এক গুহা। হিজরতের সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ ও আবু বকর (রা.) এখানে তিন রাত আশ্রয় নিয়েছিলেন।
আবু বকর (রা:) মসজিদ
চারতলায় মসজিদ হলেও সুউচ্চ ভবনটিতে হরেক রকমের পণ্য কেনার জন্য শপিং মল
মিনা - তাঁবুর শহর
মক্কা ও মুযদালিফার মাঝে অবস্থিত উপত্যকা, যেখানে হজের দিনগুলোতে হাজীরা অবস্থান করেন। জামারাত, কুরবানি ও তাশরীকের রাতগুলোর কেন্দ্র এই স্থান।
জামারাত
মিনার ভেতরে অবস্থিত তিনটি স্তম্ভ, যেখানে হাজীরা কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। এটি হজের একটি ওয়াজিব আমল, ইবরাহীম (আ.)-এর স্মৃতির সাথে যুক্ত।
মসজিদুল খায়িফ
মিনার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন মসজিদ, জামরাতুস সুগরার কাছে অবস্থিত। বিদায় হজে রাসূলুল্লাহ ﷺ এখানে নামাজ আদায় করেছিলেন।
আরাফাত ও মসজিদে নামিরা
মক্কার পূর্বে বিস্তীর্ণ প্রান্তর, যেখানে ৯ যিলহজ হাজীরা অবস্থান করেন। এই ওকুফই হজের মূল রুকন। প্রান্তরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত মসজিদে নামিরা।