ঐতিহাসিক স্থান
জাবালে সাওর ও গারে সাওর
মক্কা
মক্কার দক্ষিণে মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে সাড়ে সাতশ মিটার উঁচু একটি পাহাড়, যার উপরের দিকে রয়েছে ছোট একটি গুহা — গারে সাওর। মদীনায় হিজরতের রাতে রাসূলুল্লাহ ﷺ ও আবু বকর (রা.) মক্কা ছেড়ে প্রথমে এই গুহায় আশ্রয় নেন এবং তিন রাত এখানে অবস্থান করেন। কুরাইশরা তখন তাঁদের খোঁজে চারদিকে লোক পাঠিয়েছিল। এই সময় আবু বকর (রা.)-এর ছেলে আব্দুল্লাহ রাতে মক্কার খবর পৌঁছে দিতেন এবং মেয়ে আসমা (রা.) খাবার নিয়ে আসতেন। তিন রাত পর তাঁরা গুহা ছেড়ে মদীনার পথ ধরেন। কুরআনের সূরা তাওবায় গুহার এই ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। গুহাটি খুবই ছোট এবং ভেতরে ঢোকার পথ সংকীর্ণ; পাহাড়ের চড়াই জাবালুন নূরের চেয়েও কঠিন বলে ধরা হয়। এখানে ওঠা হজ বা উমরাহর কোনো আনুষ্ঠানিকতার অংশ নয়।
Photo credit: Ministry of Media - Saudi Arabia
মক্কা শহরের আরও স্থান

মিনা - তাঁবুর শহর
মক্কা ও মুযদালিফার মাঝে অবস্থিত উপত্যকা, যেখানে হজের দিনগুলোতে হাজীরা অবস্থান করেন। জামারাত, কুরবানি ও তাশরীকের রাতগুলোর কেন্দ্র এই স্থান।
জাবালুন নূর ও গারে হেরা
মক্কার উত্তর-পূর্বে খাড়া এক পাহাড়ের চূড়ার কাছে ছোট্ট গুহা গারে হেরা।
জামারাত
মিনার ভেতরে অবস্থিত তিনটি স্তম্ভ, যেখানে হাজীরা কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। এটি হজের একটি ওয়াজিব আমল, ইবরাহীম (আ.)-এর স্মৃতির সাথে যুক্ত।
আবু বকর (রা:) মসজিদ
চারতলায় মসজিদ হলেও সুউচ্চ ভবনটিতে হরেক রকমের পণ্য কেনার জন্য শপিং মল
মসজিদুল খায়িফ
মিনার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন মসজিদ, জামরাতুস সুগরার কাছে অবস্থিত। বিদায় হজে রাসূলুল্লাহ ﷺ এখানে নামাজ আদায় করেছিলেন।
আরাফাত ও মসজিদে নামিরা
মক্কার পূর্বে বিস্তীর্ণ প্রান্তর, যেখানে ৯ যিলহজ হাজীরা অবস্থান করেন। এই ওকুফই হজের মূল রুকন। প্রান্তরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত মসজিদে নামিরা।