সরাসরি মূল কনটেন্টে যান

হজ্জ গাইড

১০ যিলহজ

অধ্যায়ের পাতা

অধ্যায় 9 / 12

১০ যিলহজ

  1. 1এক নজরে ১০ যিলহজের আমলসমূহ
  2. 2যিলহজের দশম দিবসের ফযীলত
  3. 3প্রথম আমল : জামরাতুল আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপ
  4. 4কঙ্কর নিক্ষেপের সময়সীমা
  5. 5কঙ্কর নিক্ষেপ সংক্রান্ত কিছু মাসআলা
  6. 6কঙ্কর নিক্ষেপের পদ্ধতি
  7. 7দুর্বল ও মহিলাদের কঙ্কর নিক্ষেপ
  8. 8২. দ্বিতীয় আমল : হাদী তথা পশু যবেহ করা
  9. 9হাদী যবেহ বা কুরবানী করার ফযীলত
  10. 10হাদী বা কুরবানীর পশু সংক্রান্ত দিক-নির্দেশনা
  11. 11হাদী ছাড়াও অতিরিক্ত কুরবানী করার বিধান
  12. 12অজানা ভুলের জন্য দম দেয়ার বিধান
  13. 13তৃতীয় আমল : মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করা
  14. 14মাথা মুণ্ডনের ফযীলত
  15. 15মাথা মুণ্ডন অথবা চুল ছোট করার পদ্ধতি
  16. 16মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করার সুন্নত পদ্ধতি
  17. 17মাথা মুণ্ডন সংক্রান্ত কিছু মাসআলা
  18. 18চতুর্থ আমল : তাওয়াফে ইফাযা এবং হজের সা‘ঈ
  19. 19তাওয়াফে ইফাযার নিয়ম
  20. 20ঋতুবতী মহিলার তাওয়াফে ইফাযা
  21. 21তাওয়াফে ইফাযার ক্ষেত্রে কিছু দিক-নির্দেশনা
  22. 22চারটি আমলে ধারাবাহিকতা রক্ষার বিধান
  23. 23ইহরাম থেকে হালাল হওয়ার প্রক্রিয়া
  24. 24মিনায় রাত যাপনের বিধান
  25. 25রাত্রি যাপনের ক্ষেত্রে যেসব ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকে

যিলহজের দশম দিবসের ফযীলত

পড়তে ১ মিনিটসর্বশেষ আপডেট ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দশম দিবসের ফযীলত :

১. এই দিন ‘ইয়াওমুল হাজ্জিল আকবার’ অর্থাৎ মহান হজের দিন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿وَأَذَٰنٞ مِّنَ ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦٓ إِلَى ٱلنَّاسِ يَوۡمَ ٱلۡحَجِّ ٱلۡأَكۡبَرِ أَنَّ ٱللَّهَ بَرِيٓءٞ مِّنَ ٱلۡمُشۡرِكِينَ وَرَسُولُهُۥۚ﴾ [التوبة: ٣]

‘আর মহান হজের দিনে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পক্ষ থেকে লোকদের প্রতি ঘোষণা করে দেয়া হচ্ছে যে, আল্লাহ মুশরিকদের থেকে দায়িত্বমুক্ত এবং তাঁর রাসূলও।’[1]

ইবন উমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন বলেন,

«أَىُّ يَوْمٍ هَذَا، قَالُوا يَوْمُ النَّحْرِ. قَالَ هَذَا يَوْمُ الْحَجِّ الأَكْبَرِ».

‘এটা কোন দিন?’ তারা বলল, ‘কুরবানীর দিন।’ তিনি বললেন, ‘এটা বড় হজের দিন।’[2] কেননা এই দিনে হজের চারটি মৌলিক কাজ সম্পন্ন করতে হয়। কাজগুলো হলো, বড় জামরায় পাথর মারা; কুরবানী করা, হলক বা কসর করা এবং বায়তুল্লাহ্‌র ফরয তাওয়াফ করা।

২. এই দিন বছরের সবচে’ বড় তথা মহৎ দিন। আবদুল্লাহ ইবন কুর্ত রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

«إِنَّ أَعْظَمَ الأَيَّامِ عِنْدَ اللَّهِ يَوْمُ النَّحْرِ ثُمَّ يَوْمُ الْقَرِّ»

‘আল্লাহ তা‘আলার নিকট সবচে’ বড় দিন হল কুরবানীর দিন তারপর এগারো তারিখের দিন।’[3]

কেননা এই দিনে সালাত ও কুরবানী একত্রিত হয়েছে। এ দু’টি আমল সালাত ও সদকার চেয়ে উত্তম। এ-কারণে আল্লাহ তা‘আলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই বলে নির্দেশ দিয়েছেন, ‘আমি তোমাকে কাওসার[4] দান করেছি, তাই তুমি তোমার রবের সন্তুষ্টি লাভের জন্য শুকরিয়া স্বরূপ সালাত আদায় কর এবং কুরবানী কর।[5]

[1]. সূরা আত-তাওবা : ৩।

[2]. আবূ দাঊদ : ১৯৪৫

[3]. আবূ দাউদ : ১৭৬৫; মুসনাদে আহমদ : ১৯০৯৮।

[4]. অনেক কল্যাণ ও জান্নাতের বিশেষ র্ঝণাধারা। (আদওয়াউল বায়ান তাফসীর গ্রন্থে সূরা কাউসারের ব্যাখ্যা)।

[5]. লাতাইফুল মা‘আরিফ : ২৮২-২৮৩।